মাদক বহন করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে ইউনুস নামে এক মোটরসাইকেল চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাহিন ও নবীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলে সাবেক ইউপি মেম্বার সাইফুলের মেইলের সামনে লোকমান ও মহিউদ্দিনের ভাতিজা শাহিন ও নবী মোটরসাইকেল চালক ইউনুসকে রামগড় চা বাগান থেকে মদের একটি চালান নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু ইউনুস এই কাজ করতে অস্বীকৃতি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের পর তাকে হুমকি দেওয়া হয়, যদি সে কারও নিকট বিচার প্রার্থনা করে, তবে তাকে পুনরায় মারধর করা হবে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মহিউদ্দিনের আত্মীয়-স্বজনরা বাগানবাজার এলাকায় একটি মাফিয়া সমাজ গড়ে তুলেছে। তাদের দাবি, প্রভাবশালী মহলের কারণে সাধারণ মানুষ চাইলেও প্রতিবাদ করতে পারে না। তারা আরও জানান, ফটিকছড়ির জয়ী এমপি সারোয়ার আলমগীরের প্রভাব দেখিয়ে প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় এক ধরনের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। তাদের অভিযোগ, মহিউদ্দিনের আত্মীয়-স্বজনরা এলাকায় মাদক, নারী ও জুয়ার ব্যবসা খোলাখুলিভাবে পরিচালনা করে আসছে এবং এসব কর্মকাণ্ডে মহিউদ্দিনের প্রকাশ্য সমর্থন রয়েছে।
আগামী স্থানীয় নির্বাচনের মহিউদ্দিন একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। আগামীতে তিনি চেয়ারম্যান হতে পারলে রুস্তম চেয়ারম্যান কিংবা সাজু চেয়ারম্যানের থেকেও আরো ভয়ংকর হয়ে উঠবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।