এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট ও নিরপরাধ মানুষকে হয়রানির অভিযোগে বাগানবাজার ৯ নম্বর ওয়ার্ড- জলন্তি গ্রামের বাসিন্দা শামসুল করিম ও তার ছেলে মুসলিমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি সামাজিক সালিশে পরাজিত হওয়ার পর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে শামসুল করিম ও তার ছেলে মুসলিম পরিকল্পিতভাবে বয়োবৃদ্ধ গুজা জাহাঙ্গীর ও তার ছেলেদের নামে, পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী আলী আকবর ও আলমগীরের নাম জড়িয়ে একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এই মামলার মাধ্যমে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তাদের ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই বছর ধরে আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে অভিযুক্ত নিরীহ পরিবারগুলো চরম মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এলাকার অনেক মানুষের মতে, শামসুল করিমের বিরুদ্ধে এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। অতীতেও তিনি বিভিন্ন মানুষের জমি জবরদখল ও হয়রানির অভিযোগে এলাকায় ব্যাপকভাবে সমালোচিত ছিলেন। এমনকি স্থানীয়ভাবে তিনি একসময় বাবুল চেয়ারম্যানের কাছ থেকে “ভূমিখেকো” উপাধিও পেয়েছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, শামসুল করিমের সঙ্গে একসময় এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও গুরুতর বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে, একপর্যায়ে এলাকাবাসী তাকে ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
বর্তমানে গুজা জাহাঙ্গীর ও সংশ্লিষ্ট নিরপরাধ ব্যক্তিদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন আইনজীবী ইউসুফ আলম মাসুদ। তিনি আইনের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই বিষয়ে আইনজীবী ইউসুফ আলম মাসুদ বলেম, ইনশাল্লাহ এই মামলা মিথ্যা প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হবো।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং নিরপরাধ মানুষকে অযথা হয়রানি থেকে রক্ষা করা হোক।